ফ্যাক্ট চেকস
প্রেমিক এবং সহপাঠীদের দ্বারা ধর্ষণকে ট্রাইব্যুনালে ‘আওয়ামী লীগ নেতা দ্বারা ধর্ষণের গল্প’ হিসেবে উপস্থাপন! “বাকশালের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড ছিলেন শেখ মনি”- শফিকুলের এই দাবি মিথ্যা ‘ঢাকেশ্বরী মন্দিরের জমি আওয়ামী লীগ দখল করেছে’; স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এমন দাবি সত্য নয়! ৬ মাসের মধ্যেই মালয়েশিয়াতে যাবে ২ লাখ জানালেন প্রতিমন্ত্রী, মালয়েশিয়ার প্রত্যাখান! মাথাবিহীন নারীর লাশ: বিদেশী ওয়েবসাইট থেকে সংগৃহীত ছবিকে নাটোর আওয়ামী লীগের নেত্রীর হত্যাকান্ড দাবিতে গুজব প্রচার! আদানির বিদ্যুৎ নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য দিল যুগান্তর “আমেরিকায় ১ মিনিট লোডশেডিং হলে লক্ষ লক্ষ ধর্ষণ হবে”–শিবির নেতা ফরহাদের দাবিটি ভিত্তিহীন
“বাকশালের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড ছিলেন শেখ মনি”- শফিকুলের এই দাবি মিথ্যা
আলোচিত ফ্যাক্টচেক

“বাকশালের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড ছিলেন শেখ মনি”- শফিকুলের এই দাবি মিথ্যা

ইউনুস সরকারের সাবেক প্রেস সচিব এবং ডেইলি ওয়াদা’র সম্পাদক শফিকুল আলম ফেসবুকে লিখেছেন, “১৯৭৫ সালে যখন বাকশাল গঠিত হয়, তখন শেখ মনি কার্যত তাঁর চাচার পরেই দ্বিতীয় প্রধান ব্যক্তিত্বে পরিণত হন। তাজউদ্দীন আহমদ ও সৈয়দ নজরুল ইসলাম একদিন ঘুম থেকে উঠে দেখলেন যে, আমাদের গৌরবময় মুক্তিযুদ্ধে তাঁদের বীরত্বপূর্ণ ভূমিকার আসলে কোনো গুরুত্বই আর নেই।” post link  

ফ্যাক্ট-চেক

পোস্টটিতে শফিকুল আলম একাধিক মিথ্যা তথ্য দিয়েছেন। শেখ মনি বাকশালের সেকেন্ড ইন কমান্ড ছিলেন না। বাকশাল সরকারের ভাইস-প্রেসিডেন্ট ছিলেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম এবং প্রধানমন্ত্রী ছিলেন এম মনসুর আলী। শেখ মনি সেই সরকারের কোন অংশ ছিলেন না।

শপথ গ্রহণের পর তৎকালীন পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদ

এছাড়াও সাংগঠনিকভাবেও কেন্দ্রীয় কমিটিতে শেখ মনি সেকেন্ড ইন কমান্ড ছিলেন না। বাকশালের চেয়াম্যান বঙ্গবন্ধুর পরের পদটি ছিল ভাইস-চেয়ারম্যান সৈয়দ নজরুল ইসলামের।

বাকশাল কমিটিতে শেখ মনি ছিলেন ৩ জন সেক্রেটারির একজন, তাদের উপর সেক্রেটারি জেনারেল ছিলেন এম মনসুর আলী।

 

ফ্যাক্ট-চেক জোন সিদ্ধান্ত: “বাকশালের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড ছিলেন শেখ মনি”- শফিকুলের এই দাবি মিথ্যা