ফ্যাক্ট চেকস
প্রেমিক এবং সহপাঠীদের দ্বারা ধর্ষণকে ট্রাইব্যুনালে ‘আওয়ামী লীগ নেতা দ্বারা ধর্ষণের গল্প’ হিসেবে উপস্থাপন! “বাকশালের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড ছিলেন শেখ মনি”- শফিকুলের এই দাবি মিথ্যা ‘ঢাকেশ্বরী মন্দিরের জমি আওয়ামী লীগ দখল করেছে’; স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এমন দাবি সত্য নয়! ৬ মাসের মধ্যেই মালয়েশিয়াতে যাবে ২ লাখ জানালেন প্রতিমন্ত্রী, মালয়েশিয়ার প্রত্যাখান! মাথাবিহীন নারীর লাশ: বিদেশী ওয়েবসাইট থেকে সংগৃহীত ছবিকে নাটোর আওয়ামী লীগের নেত্রীর হত্যাকান্ড দাবিতে গুজব প্রচার! আদানির বিদ্যুৎ নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য দিল যুগান্তর “আমেরিকায় ১ মিনিট লোডশেডিং হলে লক্ষ লক্ষ ধর্ষণ হবে”–শিবির নেতা ফরহাদের দাবিটি ভিত্তিহীন
“একাত্তরের পর প্রণীত দুইশো জন যুদ্ধাপরাধীর তালিকায় জামাত নেতাদের নাম নেই”-মারদিয়া মমতাজের দাবিটি মিথ্যা!
ফ্যাক্ট চেক

“একাত্তরের পর প্রণীত দুইশো জন যুদ্ধাপরাধীর তালিকায় জামাত নেতাদের নাম নেই”-মারদিয়া মমতাজের দাবিটি মিথ্যা!

জামাতের সংরক্ষিত মহিলা আসনের এমপি মারদিয়া মমতাজ একটি টকশোত ১৯৭১ সালের গণহত্যায় জামাত নেতাদের দায় কতটুকু এমন প্রশ্নের জবাবে দাবি করেছেন “৭১ এর পরে দুইশো’র মত যুদ্ধাপরাধীর তালিকা করা হলো, সেখানে কয়জন জামাতের নেতা ছিল?” দেখুন 

ফ্যাক্ট-চেক

৭১ এর পর দুশো যুদ্ধাপরাধী তালিকা তৈরির দাবিটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং অসত্য।

স্বাধীনতার পর দুশো জন রাজাকার যুদ্ধাপরাধীর আলাদা কোন তালিকা তৈরি হয়নি। ১৯৭৩ সালের ১৭ই এপ্রিল তৎকালীন সরকার সরাসরি গণহত্যা, যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়িত বা নেতৃত্বদানকারী ১৯৫ জন পাকিস্তানি যুদ্ধবন্দীর একটি তালিকা প্রস্তুত করে বিচারের সিদ্ধান্ত ঘোষণা করে। তবে সেই তালিকার কেউই বাংলাদেশী রাজাকার, যুদ্ধাপরাধী নন। তারা সবাই ১৬ ডিসেম্বর বন্দী হওয়া পাকিস্তানি আর্মির সদস্য।

 

একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধে বিরোধিতাকারী দোসরদের বিচারের জন্য প্রণীত ১৯৭২ সালের দালাল আইনের অধীনে ৩৭ হাজারের বেশি ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়। তবে কোন দলে কতজন রাজাকার এই ধরনের আলাদা কোন তালিকা প্রণয়ন করা হয়নি।

১৯৭৩ সালের ৩০ নভেম্বর দালাল আইনে আটক যেসব ব্যক্তির বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ নেই তাদের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করেন। এতে ৩৭ হাজারের মধ্যে ২৬ হাজার ছাড়া পান। ১১ হাজারের বেশি ব্যক্তি আটক ছিলেন। বিচারে তাদের অনেকের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা হয়েছিল। বঙ্গবন্ধু হত্যার পর  জেনারেল জিয়াউর রহমানের সামরিক সরকার দালাল আইন বাতিল করে। ফলে ওই ১১ হাজার ব্যক্তি মুক্তি পান।

 

ফ্যাক্ট-চেক জোন সিদ্ধান্ত: ৭১ এর পর দুশো যুদ্ধাপরাধী তালিকা তৈরির দাবিটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং অসত্য।