ফ্যাক্ট চেকস
আদানির বিদ্যুৎ নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য দিল যুগান্তর
বিভ্রান্তিকর

আদানির বিদ্যুৎ নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য দিল যুগান্তর

সম্প্রতি যুগান্তর “আদানির প্রতারণার ফাঁদে বিদ্যুৎ খাত, ভয়াবহ লোডশেডিংয়ে বিপর্যস্ত জীবন” শিরোনামের প্রতিবেদনে ভেড়ামারা দিয়ে আদানির বিদ্যুৎ আসে উল্লেখ করে লেখা হয়েছে “৭ আগস্ট ভোর ৫টায়ও আদানি বাংলাদেশের ভেড়ামারা সীমান্ত দিয়ে ১ হাজার ৪৫৩ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করে।”

যুগান্তরে প্রকাশিত প্রতিবেদনের অংশ

 

ফ্যাক্ট-চেক

ভারতের ঝাড়খণ্ডের গোড্ডা পাওয়ার প্ল্যান্ট থেকে উৎপাদিত আদানি পাওয়ারের বিদ্যুৎ বাংলাদেশের ভেড়ামারা সীমান্ত বা ভেড়ামারা ইন্টারকানেকশন পয়েন্ট দিয়ে প্রবেশ করে না। আদানি থেকে আসা বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য সম্পূর্ণ আলাদা একটি ডেডিকেটেড সঞ্চালন লাইন (Transmission Line) ব্যবহার করা হয়।আদানির বিদ্যুৎ ঝাড়খণ্ডের গোড্ডা থেকে ভারতের সীমানা পেরিয়ে বাংলাদেশের রাজশাহীর সীমান্তবর্তী জেলা চাঁপাইনবাবগঞ্জের রহনপুর দিয়ে প্রবেশ করে। রহনপুর সীমান্ত হয়ে এই সঞ্চালন লাইনটি সরাসরি বগুড়ার সাবস্টেশনে গিয়ে আঘাত করে। সেখান থেকেই এই আমদানিকৃত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যোগ হয়। বিস্তারিত দেখুন

ভেড়ামারা দিয়ে মুলত  দু ধরনের বিদ্যুৎ সংযুক্ত হয়। ভারতের সরকারি প্লান্টের কমদামি বিদ্যুৎ, অন্যটি আসে ভারতের পাওয়ারপুল থেকে কেনা বেসরকারি পর্যায়ের বিদ্যৎ।

এছাড়াও প্রতিবেদনে আদানি অর্ধেক বিদ্যুৎ সরবরাহের তথ্যটি সঠিক হলেও,  পিক আওয়ারে আদানি প্রায় ৭০-৭৫% (১১০০-১২০০ মেগাওয়াট) বিদ্যুৎ সরবারহের তথ্যটি এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে, যা বিভ্রান্তিমূলক। ফ্যাক্ট-চেক জোনের অনুসন্ধানে দেখা গেছে, ৩১ আগস্ট (সোমবার) সন্ধ্যা ৭ টায় ১১২৭ মেগাওয়াট,  ৮ টায় ১১২২ মেগাওয়াট এবং ৯ টায় ১১১৭ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করেছে আদানি।

একইভাবে, ৩০ আগস্ট (রোববার) সন্ধ্যা ৬ টায় ১০২৭ মেগাওয়াট, ৭টায় ১১২৩ মেগাওয়াট, ৮ টায় ১১২৬ মেগাওয়াট, ৯ টায় ১১১১ এবং ১০ টায় ১০৯৭ মেগাওয়াট এবং ১১টায় ১০৯৩ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়।

তবে পিক আওয়ারের বাইরে আদানির অর্ধেক বিদ্যুৎ সরবরাহের তথ্যটি সত্য। দেখুন জাতীয় গ্রিডের তথ্য