ফ্যাক্ট চেকস
৬ মাসের মধ্যেই মালয়েশিয়াতে যাবে ২ লাখ জানালেন প্রতিমন্ত্রী, মালয়েশিয়ার প্রত্যাখান! মাথাবিহীন নারীর লাশ: বিদেশী ওয়েবসাইট থেকে সংগৃহীত ছবিকে নাটোর আওয়ামী লীগের নেত্রীর হত্যাকান্ড দাবিতে গুজব প্রচার! আদানির বিদ্যুৎ নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য দিল যুগান্তর “আমেরিকায় ১ মিনিট লোডশেডিং হলে লক্ষ লক্ষ ধর্ষণ হবে”–শিবির নেতা ফরহাদের দাবিটি ভিত্তিহীন “শেখ হাসিনা মাত্র ১৩ বিলিয়ন ডলার রিজার্ভ রেখে গেছে”-দাবিটি সত্য নয়! “আওয়ামী লীগ আমলে বাপেক্সকে ১৫ বছরে মাত্র ৮ টি কূপের বেশি খনন করতে দেয় নাই “– আশরাফ কায়সারের দাবিটি মিথ্যা “৬ মাসেই ৩ লাখ টন পেঁয়াজ মজুদের ব্যবস্থা করে রেখেছে সরকার”–দাবিটি সত্য নয়
“আওয়ামী লীগ আমলে বাপেক্সকে ১৫ বছরে মাত্র ৮ টি কূপের বেশি খনন করতে দেয় নাই “– আশরাফ কায়সারের দাবিটি মিথ্যা
মিথ্যা

“আওয়ামী লীগ আমলে বাপেক্সকে ১৫ বছরে মাত্র ৮ টি কূপের বেশি খনন করতে দেয় নাই “– আশরাফ কায়সারের দাবিটি মিথ্যা

“আওয়ামী লীগ আমলে বাপেক্সকে ১৫ বছরে মাত্র ৮ টি কূপের বেশি খনন করতে দেয়া হয় নাই “–বেসরকারি একটি চ্যানেলের টকশোতে এরকম দাবি করেছেন সাংবাদিক আশরাফ কায়সার। দেখুন

ফ্যাক্ট-চেক

আশরাফ কায়সারের দাবিটি সত্য নয়।

ফ্যাক্ট-চেক জোনের অনুসন্ধানে দেখা গেছে, কেবল ২০০৯-১৩, প্রথম ৫ বছরে অন্তত ১০ টি কূপ খনন করে গ্যাস পেয়েছিল বাপেক্স৷

২০০৯ সালে তিতাস-১৪, বাঙ্গুরা গ্যাস ক্ষেত্রে ৩ নম্বর কূপ খনন করে গ্যাস পাওয়া যায়।

২০১১ সালে সুন্দলপুর-১ কূপ ও সালদা নদী-৩ খনন করে গ্যাস পাওয়া যায়।

২০১২ সালে গাজীপুরের কাপাসিয়া-১, শ্রীকাইল-২ খনন করা হয়।

২০১৩ সালে তিতাস-১৭, বাখরাবাদ-৯, তিতাস-১৮, সুনেত্র-১ ও শ্রীকাইল-৩ নম্বর কূপে গ্যাস পায় বাপেক্স। বাপেক্সের নিজস্ব সক্ষমতায় আইডিকো, গার্ডনার ডানভার, আইপিএস কার্ডওয়েল ও বিজয়-১০ রিগ দিয়ে এসব কূপ খনন করা হয়।দেখুন বিস্তারিত 

২০১৪ সালে মোবারকপুরে ৪ দশমিক ৫ কিলোমিটার গভীরতায় খননের লক্ষ্যে কাজ শুরু হলেও নির্দিষ্ট গভীরতায় পৌঁছানোর পর তীব্র গ্যাসের চাপের কারণে তা বন্ধ রাখতে হয়। বর্তমানে মোবারকপুরে আবার খনন কাজ শুরু হচ্ছে

২০২৪ সালে নোয়াখালীতে বেগমগঞ্জ-৪ (ওয়েস্ট) মূল্যায়ন- কাম- উন্নয়ন কূপ খনন প্রকল্পের কাজ শুরু হয়।

২০১৪ সাল থেকে দেশের স্থলভাগে কূপ খননে বাপেক্সের পাশাপাশি কাজ দেয়া হয় রুশ তেল-গ্যাস কোম্পানি গ্যাজপ্রমকে।  ২০১৪ সালের পর থেকে এ পর্যন্ত দেশে বাপেক্স ও গ্যাজপ্রমকে দিয়ে খনন করানো হয় ২৫টি কূপ। এর মধ্যে ১৬টিতে গ্যাস আবিষ্কার হয়। বাকিগুলো চিহ্নিত হয় বাণিজ্যিকভাগে অলাভজনক ও শুষ্ক হিসেবে। দেখুন

অর্থাৎ সমস্ত তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, সরাসরি বাপেক্সের মাধ্যমে অন্তত ১২টি এবং গ্যাজপ্রমের মাধ্যমে অন্তত ২৫ টি কূপ খনন করা হয়েছে।

ফ্যাক্ট-চেক জোন সিদ্ধান্ত :”আওয়ামী লীগ আমলে বাপেক্সকে ১৫ বছরে মাত্র ৮ টি কূপের বেশি খনন করতে দেয় নাই “– আশরাফ কায়সারের দাবিটি মিথ্যা