ফ্যাক্ট চেকস
রবার্তো কার্লোস এর ইসলাম গ্রহনের গুজব, অভিনন্দন জানিয়ে পোস্ট এডিট করলেন কাবার ইমাম! ‘পশ্চিমবঙ্গে মসজিদ থেকে খুলে নেয়া হচ্ছে মাইক!’-অর্ধসত্য খবর দিল চ্যানেল ২৪, আমার দেশ সহ একাধিক মিডিয়া জুলাই আন্দোলনে পুলিশ কি স্নাইপার রাইফেল ব্যবহার করেছিল? ৭.৬২’র প্রকৃত সত্য কি? ‘ভুয়া’ নথি দিয়ে সাতক্ষীরায় ভারতীয় সেনা অভিযানের ‘কাল্পনিক’ গল্প প্রচার! চট্টগ্রামের হাসপাতালের মোবাইল চোরকে নড়াইলের ছাত্রলীগ নেতা বলে প্রচার! ফাইনালে মেসির পরিবার অনুপস্থিত থাকার দাবিটি সত্য নয়! কথিত ‘মুক্তিযোদ্ধা’ জামাত এমপি গাজী নজরুলের নেই মুক্তিযোদ্ধা সনদ, সংসদে দাঁড়িয়ে করেন বিকৃত ইতিহাস প্রচার!
ভেতরের গল্প

আমাদের কাজের প্রক্রিয়া (Our Process)

একটি ফ্যাক্ট-চেক রিপোর্ট তৈরি হতে পর্দার আড়ালে যে কঠোর পরিশ্রম ও যাচাই-বাছাই চলে, তার একটি স্বচ্ছ চিত্র এখানে দেওয়া হলো।

ধাপ ১

মনিটরিং ও আইডেন্টিফিকেশন

আমাদের টিম প্রতিনিয়ত সোশ্যাল মিডিয়া ট্রেন্ড, ভাইরাল ভিডিও এবং মেসেজিং অ্যাপের (যেমন- হোয়াটসঅ্যাপ) গুজব মনিটর করে। যখনই কোনো দাবি জনস্বার্থে গুরুত্বপূর্ণ মনে হয়, আমরা সেটাকে শনাক্ত করি।

ধাপ ২

প্রাথমিক স্ক্রিনিং

সব ভাইরাল খবর যাচাইয়ের যোগ্য নয়। আমরা ফিল্টার করি যে দাবিটি কি আসলেই তথ্যের ওপর ভিত্তি করে নাকি এটি কারো ব্যক্তিগত মতামত। তথ্যভিত্তিক দাবিগুলোকেই পরবর্তী ধাপের জন্য পাঠানো হয়।

ধাপ ৩

গভীর অনুসন্ধান (Deep Investigation)

এই ধাপে আমাদের ইনভেস্টিগেটিভ টিম রিভার্স ইমেজ সার্চ, সোর্স ভেরিফিকেশন এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি বা বেসরকারি দপ্তরের সাথে যোগাযোগ করে। আমরা কেবল ডিজিটাল টুল নয়, হিউম্যান ইন্টেলিজেন্সও ব্যবহার করি।

ধাপ ৪

সম্পাদকীয় পর্যালোচনা (Editorial Review)

অনুসন্ধান শেষে ড্রাফট রিপোর্টটি সিনিয়র এডিটরদের কাছে যায়। তারা নিশ্চিত করেন যে রিপোর্টে কোনো পক্ষপাতিত্ব নেই এবং পর্যাপ্ত প্রমাণ দেওয়া হয়েছে কি না। কোনো দুর্বলতা থাকলে তা আবার সংশোধনে পাঠানো হয়।

ধাপ ৫

প্রকাশনা ও বিতরণ

সবশেষে রিপোর্টটি ওয়েবসাইট এবং আমাদের সোশ্যাল মিডিয়া পেজগুলোতে প্রকাশিত হয়। আমরা সহজ ভাষায় এবং প্রয়োজনীয় ভিজ্যুয়ালের মাধ্যমে সত্যটি পাঠকদের সামনে তুলে ধরি।