ফ্যাক্ট চেকস
ফাইনালে মেসির পরিবার অনুপস্থিত থাকার দাবিটি সত্য নয়! কথিত ‘মুক্তিযোদ্ধা’ জামাত এমপি গাজী নজরুলের নেই মুক্তিযোদ্ধা সনদ, সংসদে দাঁড়িয়ে করেন বিকৃত ইতিহাস প্রচার! আসামের শিক্ষক প্রশিক্ষণের ভিডিওকে বাংলাদেশের দাবি করে গুজব ছড়ালেন ‘আমার দেশ’ এর স্টাফ রিপোর্টার ‘বন্যায় ইউনুসের দশ হাজার কোটি টাকার সহায়তা’,-স্যাটায়ার পোস্টকে সত্য ভেবে শেয়ার দিচ্ছেন ইউনুসপন্থী এক্টিভিস্টরা! ফ্যাক্ট চেক: পরীক্ষার্থীদের ভোগান্তি নিয়ে সংসদে শিক্ষামন্ত্রীর দেয়া বক্তব্য সঠিক নয় “একাত্তরের পর প্রণীত দুইশো জন যুদ্ধাপরাধীর তালিকায় জামাত নেতাদের নাম নেই”-মারদিয়া মমতাজের দাবিটি মিথ্যা! ‘স্বাধীনতাবিরোধী’ আজহারউদ্দীন পুত্র বীর বিক্রম মেজর হাফিজের ক্রমাগত ইতিহাস বিকৃতি!
জিজ্ঞাসাবাদ ও সচেতনতা

সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)

ফ্যাক্ট-চেকিং কি এবং ইন্টারনেটে কীভাবে নিরাপদ থাকবেন? আপনার মনে আসা সাধারণ প্রশ্নগুলোর উত্তর এখানে পাবেন।

ফ্যাক্ট-চেকিং হলো কোনো নির্দিষ্ট দাবি, তথ্য বা সংবাদের সত্যতা বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি ও প্রমাণের ভিত্তিতে যাচাই করা। বর্তমান যুগে 'ডিপ ফেক' এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে গুজব ছড়ানো খুব সহজ হয়ে গেছে, যা সমাজে অস্থিরতা তৈরি করতে পারে। এই বিভ্রান্তি থেকে বাঁচতেই ফ্যাক্ট-চেকিং অপরিহার্য।

গুজব শনাক্ত করার প্রাথমিক কিছু উপায় আছে: ১. খবরের শিরোনামটি কি খুব বেশি উত্তেজনাপূর্ণ? ২. খবরটি কি অন্য কোনো নির্ভরযোগ্য মূলধারার সংবাদমাধ্যমে আছে? ৩. ছবি বা ভিডিওটি কি অস্পষ্ট বা এডিট করা মনে হচ্ছে? ৪. খবরের উৎস বা সোর্স কি উল্লেখ করা হয়েছে? এসব উত্তর 'না' হলে সেটি গুজব হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।

ডিপফেক ভিডিওতে প্রযুক্তির সাহায্যে একজনের চেহারায় অন্যজনকে বসিয়ে দেওয়া হয়। এটি চেনার জন্য ভিডিওর ব্যক্তির চোখের পলক পড়ার ধরণ, ঠোঁটের নড়াচড়ার সাথে কথার মিল এবং গলার স্কিন টোন লক্ষ্য করুন। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ডিপফেক ভিডিওতে চোখের নড়াচড়া অস্বাভাবিক মনে হয়।

একদমই না। ফ্যাক্ট চেক জোন সম্পূর্ণ স্বাধীন এবং নিরপেক্ষ। আমাদের অর্থায়ন এবং সম্পাদকীয় নীতি কোনো রাজনৈতিক দল বা গোষ্ঠীর দ্বারা নিয়ন্ত্রিত নয়। আমাদের একমাত্র লক্ষ্য হলো নিরপেক্ষভাবে তথ্যের সঠিকতা যাচাই করা।

আপনি আমাদের ওয়েবসাইটের 'Submit a Claim' পেজে গিয়ে তথ্যটি জমা দিতে পারেন অথবা আমাদের অফিসিয়াল হোয়াটসঅ্যাপ এবং ইমেইলে স্ক্রিনশট ও লিঙ্কসহ পাঠাতে পারেন। আমাদের টিম দ্রুত সেটি যাচাই করে ব্যবস্থা নেবে।

সাইবার সচেতনতার জন্য: ১. শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ব্যবহার করুন। ২. কোনো লটারি বা পুরস্কার জেতার লিঙ্কে ব্যক্তিগত তথ্য দেবেন না। ৩. পাবলিক ওয়াইফাই ব্যবহার করে ব্যাংক লেনদেন করবেন না। ৪. সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যক্তিগত তথ্য শেয়ার করার আগে প্রাইভেসী সেটিংস চেক করুন।

আপনার আরও কিছু জানার থাকলে সরাসরি আমাদের প্রশ্ন করতে পারেন।

প্রশ্ন পাঠান