ডিজিটাল যুগে আমাদের ব্যক্তিগত ও পেশাগত তথ্যের নিরাপত্তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। হ্যাকাররা প্রতিনিয়ত নতুন নতুন কৌশলে তথ্য চুরির চেষ্টা করছে। তাই ইন্টারনেটে সুরক্ষিত থাকতে আমাদের আরও সচেতন হওয়া প্রয়োজন। নিচে সাইবার নিরাপত্তার প্রধান কিছু স্তম্ভ আলোচনা করা হলো:
১. শক্তিশালী ও আলাদা পাসওয়ার্ড ব্যবহার: আপনার প্রতিটি অ্যাকাউন্টের জন্য জটিল ও ইউনিক পাসওয়ার্ড ব্যবহার করুন । পাসওয়ার্ডে বড় ও ছোট হাতের অক্ষর, সংখ্যা এবং বিশেষ চিহ্ন (!@#$) ব্যবহার করা উচিত । সাধারণ পাসওয়ার্ড বা সব জায়গায় একই পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা হ্যাকারদের কাজ সহজ করে দেয়।
২. টু-ফ্যাক্টর অথেন্টিকেশন (2FA) চালু করা: পাসওয়ার্ডের পাশাপাশি নিরাপত্তার অতিরিক্ত স্তর হিসেবে টু-ফ্যাক্টর অথেন্টিকেশন চালু রাখা আবশ্যক । এতে কেউ আপনার পাসওয়ার্ড জেনে ফেললেও আপনার ফোনের অনুমতি বা কোড ছাড়া অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করতে পারবে না ।
৩. ফিশিং অ্যাটাক থেকে সাবধান: ইমেইল বা মেসেঞ্জারে আসা অপরিচিত লিঙ্কে ক্লিক করার আগে সাবধান থাকুন । বিশেষ করে লটারি জেতা বা জরুরি সতর্কবার্তা দিয়ে পাঠানো লিঙ্কগুলোর মাধ্যমে আপনার ডিভাইসে ক্ষতিকর ম্যালওয়্যার প্রবেশ করানো হতে পারে ।
৪. নিয়মিত সফটওয়্যার আপডেট: আপনার মোবাইল ও কম্পিউটারের অপারেটিং সিস্টেম এবং অ্যাপগুলো সবসময় আপডেট রাখুন । নতুন আপডেটে আগের সিকিউরিটি হোল বা ত্রুটিগুলো মেরামত করা হয়, যা হ্যাকিং ঝুঁকি কমায় ।
৫. পাবলিক ওয়াই-ফাই ব্যবহারে সতর্কতা: ফ্রি বা পাবলিক ওয়াই-ফাই ব্যবহার করে কখনোই আর্থিক লেনদেন বা ব্যক্তিগত আইডিতে লগইন করা নিরাপদ নয় । প্রয়োজনে ভিপিএন (VPN) ব্যবহার করুন।
আপনার সামান্য সতর্কতা আপনাকে বড় ধরণের সাইবার হয়রানি থেকে রক্ষা করতে পারে। সাইবার নিরাপত্তা শুধু প্রযুক্তি নয়, এটি একটি সচেতনতাও।




