বর্তমান যুগে আমাদের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে ইন্টারনেট। তবে প্রযুক্তির এই আশীর্বাদের সাথে বাড়ছে সাইবার ঝুঁকির পরিমাণও। একটু সচেতনতা আপনার ডিজিটাল জীবনকে করে তুলতে পারে নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময়। নিচে সাইবার নিরাপত্তার কিছু গুরুত্বপূর্ণ টিপস দেওয়া হলো:
১. শক্তিশালী ও বৈচিত্র্যময় পাসওয়ার্ড: পাসওয়ার্ড হিসেবে নাম বা জন্মতারিখ ব্যবহার করা একদমই উচিত নয়। বড় হাতের ও ছোট হাতের অক্ষর, সংখ্যা এবং বিশেষ চিহ্নের সংমিশ্রণে শক্তিশালী পাসওয়ার্ড তৈরি করুন। প্রতিটি অ্যাকাউন্টের জন্য আলাদা আলাদা পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা সবচেয়ে নিরাপদ।
২. টু-ফ্যাক্টর অথেন্টিকেশন (2FA) চালু করা: শুধুমাত্র পাসওয়ার্ড দিয়ে অ্যাকাউন্টের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা কঠিন। তাই ফেসবুক, গুগল বা অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়ায় টু-ফ্যাক্টর অথেন্টিকেশন চালু রাখুন। এতে আপনার পাসওয়ার্ড কেউ জেনে ফেললেও ফোনে আসা কোড ছাড়া লগইন করতে পারবে না।
৩. সন্দেহজনক লিংক থেকে সাবধান: ইনবক্সে আসা অচেনা কোনো আকর্ষণীয় অফার বা লটারি জেতার লিংকে ক্লিক করবেন না। এ ধরনের লিংকের মাধ্যমে হ্যাকাররা আপনার ডিভাইসে ম্যালওয়্যার ঢুকিয়ে দিতে পারে বা ব্যক্তিগত তথ্য হাতিয়ে নিতে পারে।
৪. পাবলিক ওয়াই-ফাই ব্যবহারে সতর্কতা: বাসস্ট্যান্ড, ক্যাফে বা বিমানবন্দরের ফ্রি ওয়াই-ফাই ব্যবহার করে কখনোই ব্যাংক লেনদেন বা ব্যক্তিগত আইডিতে লগইন করা উচিত নয়। প্রয়োজনে ভিপিএন (VPN) ব্যবহার করুন।
৫. নিয়মিত সফটওয়্যার আপডেট: আপনার ফোন বা কম্পিউটারের অপারেটিং সিস্টেম এবং অ্যাপগুলো নিয়মিত আপডেট রাখুন। নতুন আপডেটগুলোতে সাধারণত পুরনো নিরাপত্তার ফাঁকফোকরগুলো বন্ধ করা হয়।
পরিশেষে, ইন্টারনেটে কোনো তথ্য শেয়ার করার আগে দুবার ভাবুন। আপনার সামান্য সচেতনতাই পারে আপনাকে বড় ধরনের সাইবার অপরাধ থেকে দূরে রাখতে। নিরাপদ ইন্টারনেট হোক সবার লক্ষ্য।




