বর্তমান যুগ ইন্টারনেটের যুগ। আমাদের হাতের মুঠোয় এখন সারা বিশ্বের খবর। কিন্তু এই অবারিত সুযোগের আড়ালে লুকিয়ে আছে এক ভয়াবহ বিপদ—’ভুয়া খবর’ বা ‘গুজব’। আমরা যখন প্রতিদিন সকালে ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ বা নিউজ পোর্টালের ফিড স্ক্রল করি, তখন অজান্তেই অসংখ্য মিথ্যা তথ্যের শিকার হই। একটি ভুল তথ্য যেমন একজনের ব্যক্তিগত জীবন ধ্বংস করতে পারে, তেমনি সমাজে অস্থিরতা বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে পারে।
ইন্টারনেটের এই দ্রুতগতির যুগে মিথ্যা ছড়ায় আগুনের মতো। কোনো একটি চমকপ্রদ শিরোনাম বা এডিট করা ছবি দেখলেই আমরা যাচাই না করে তা শেয়ার করে ফেলি। গবেষণায় দেখা গেছে, সত্য খবরের চেয়ে মিথ্যা বা চাঞ্চল্যকর খবর মানুষ দ্রুত শেয়ার করে। প্রযুক্তির অপব্যবহার করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) বা ডিপফেক ভিডিওর মাধ্যমে এখন আসল আর নকলের পার্থক্য করা প্রায় অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে। ফলে সাধারণ মানুষের জন্য কোনটি সত্য আর কোনটি সাজানো নাটক, তা বোঝা কঠিন হয়ে পড়েছে।
কিন্তু এই মিথ্যার ভিড়ে আপনি কি একা? একদমই নয়। আপনার সচেতনতাই হতে পারে গুজবের বিরুদ্ধে সবচেয়ে বড় অস্ত্র। কোনো তথ্য বিশ্বাস করার আগে আমাদের তিনটি প্রশ্ন করা জরুরি: তথ্যের উৎস কী? খবরটি কি অন্য কোনো নির্ভরযোগ্য গণমাধ্যমে এসেছে? ছবি বা ভিডিওটি কি পুরনো কোনো ঘটনার?
আপনার এই দ্বিধা দূর করতে এবং তথ্যের গোলকধাঁধায় সঠিক পথ দেখাতে আমরা আসছি খুব শীঘ্রই। ‘Fact Check Zone’ হবে আপনার একটি নির্ভরযোগ্য আস্থার জায়গা। আমরা কেবল খবর পরিবেশন করবো না, বরং প্রতিটি তথ্যের চুলচেরা বিশ্লেষণ করে আসল সত্যটি আপনার সামনে তুলে ধরবো। আমাদের লক্ষ্য—একটি গুজবমুক্ত ও সচেতন সমাজ গড়া।
মনে রাখবেন, একটি ভুল ক্লিক বা একটি না বুঝে করা শেয়ার অনেক বড় ক্ষতির কারণ হতে পারে। তাই যেকোনো খবর শেয়ার করার আগে থামুন, ভাবুন এবং যাচাই করুন। তথ্যের এই যুদ্ধে সত্যের জয় নিশ্চিত করতে আমাদের সাথেই থাকুন।
Fact Check Zone — আসল সত্য আপনার অধিকার।




