প্রযুক্তির উৎকর্ষতায় আমরা এমন এক সময়ে দাঁড়িয়ে আছি যেখানে ‘দেখলেই বিশ্বাস করা’ দিন শেষ হয়ে আসছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই (AI) ব্যবহার করে এখন তৈরি করা হচ্ছে ‘ডিপফেক’ ভিডিও এবং অডিও। এর মাধ্যমে একজন জনপ্রিয় ব্যক্তি বা আপনার পরিচিত কারো চেহারা এবং কণ্ঠ হুবহু নকল করে এমন কিছু বলিয়ে দেওয়া সম্ভব, যা তিনি আসলে কখনোই বলেননি।
ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়া এমন অনেক ভিডিও আপনি হয়তো প্রতিদিন দেখছেন, যেখানে মনে হচ্ছে কোনো নেতা বিতর্কিত কথা বলছেন বা কোনো সেলিব্রিটি অদ্ভুত কোনো পণ্যের প্রচার করছেন। এই ডিপফেক প্রযুক্তি এখন সাইবার অপরাধীদের সবচেয়ে বড় হাতিয়ার। তারা ভুয়া ভিডিও তৈরি করে সামাজিক অস্থিরতা তৈরি করছে কিংবা সাধারণ মানুষকে ব্ল্যাকমেইল করে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। শুধু ভিডিও নয়, এআই দিয়ে তৈরি ছবি বা ফেক নিউজ পোর্টালগুলো এতই নিখুঁত হয় যে, অভিজ্ঞ মানুষেরাও মাঝেমধ্যে বিভ্রান্ত হয়ে পড়েন।
তবে এই ডিজিটাল জালিয়াতি ধরার কিছু উপায় আছে। কোনো ভিডিও দেখলে খেয়াল করুন—ব্যক্তির চোখের পলক স্বাভাবিকভাবে পড়ছে কি না, ঠোঁটের নড়াচড়ার সাথে কথার মিল আছে কি না, কিংবা গায়ের চামড়ার রঙ কি খুব বেশি মসৃণ লাগছে? তথ্যের এই নতুন ও ভয়ঙ্কর যুদ্ধের যুগে আপনাকে সুরক্ষা দিতেই কাজ করছে ‘Fact Check Zone’। আমরা আধুনিক ফরেনসিক টুলস এবং এআই ডিটেক্টর ব্যবহার করে এই গভীর ষড়যন্ত্রের মুখোশ উন্মোচন করি।
নিজে সচেতন হোন এবং প্রযুক্তির অপব্যবহার রুখতে আমাদের সহায়তা নিন। মনে রাখবেন, এআই বা ডিপফেক যতই শক্তিশালী হোক, মানুষের বিচক্ষণতা আর সঠিক তথ্যের শক্তির কাছে তা পরাজিত হতে বাধ্য।
Fact Check Zone — প্রযুক্তির আড়ালে লুকিয়ে থাকা সত্যের সন্ধানে।




